উ লা লা লা…

আমি বুঝিনা । কিংবা আমি বুঝতে পারিনা। যেটাই হোক। কিন্তু একটা টীচার যে কীনা একটা ইঞ্জিঃ ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্টাল হেড সে কি ভাবে এত কম বোঝানোর মত পড়ায় সেটাই মাথায় খেলেনা। স্যার ক্লাস রুমে ঢুকেন। চেয়ারে বসে রোল কলটা করেন। তারপর বই খুলে রীডিং পড়া শুরু করেন। চোখ দুটো বুজে আসা শুরু হয় তখন থেকেই। তো ঘুমাতে যখন হবেই শুধু শুধু ক্লাসরুমের মধ্যে বসে/ শুয়ে শুধু শুধু কষ্ট করার কি দরকার। কষ্ট করে পাঁচতলায় উঠে আরেকটু কষ্ট করে তালাটা খুলে রুমে ঢুকতে পারলেই হল। তারপর বিছানা পর্যন্ত আরেকটু কষ্ট করে হেঁটে যাওয়া। আর সব কিছু ভুলে গিয়ে ডাবল ম্যাট্রেস এর উপর ঝাপিয়ে পড়া। আহ! শান্তিই শান্তি। আজকে আমি অবশ্য প্রথম কয়েকটা ঠিক ঠাক করলেও শেষটুকু আর করা হয়নি। বেডের ওপর ঝাঁপাঝাপি করা বাদ দিয়ে কীবোর্ডে আঙুল কাঁপাকাঁপি করাচ্ছি। 😆

আজকে ল্যাব ক্লাসটা বেশ ভাল বুঝলাম। নাট,বোল্ট, স্ক্রু, আর রিভেট এর ব্যাপার স্যাপার গুলো বোঝানো হল। অথচ সবগুলোকে আমি এতদিন এক বলেই জানতাম! দেখতে তো একই রকম সবগুলা। শুধু ছোট ছোট পার্থক্যের জন্য একটা আরেকটার চে আলাদা হয়ে যায়। মানুষগুলোও তো এরকমই অনেকটা, তাইনা? আমার শরীরে যা যা আছে, সেটা স্বপ্নীল এর মাঝেও আছে। এ কথা শুনলে পাশ থেকে সামীর বলে উঠবে আমার আবার কোনটা কম। এবং আমাদের মধ্যে যখন পার্থক্য করতে যাবো তখনই ছোট ছোট কিছু বিষয় স্বপ্নীল, সামির কিংবা আমাকে তিনটি আলাদা আলাদা জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেবে। ছোট ছোট কিছু অনভূতি, ভালোবাসা, রাগ, ঈর্ষা কিংবা স্বপ্ন – আছে আমাদের তিনজনের মাঝেই। কিন্তু তাদের রঙ আলাদা। আরেকটু খেয়াল করে ভ্রু টা আরেকটু কুঁচকে ভাবতে বসলে দেখা যাবে তাদের ধরণও অন্যরকম। সবকিছু অনেকটা একরকম হয়েও তাই আমি জিহাদ। ও স্বপ্নিল। আর ও সামির।

অনেকদিন ধরে ফুটবল খেলিনা! খুব বেশি খারাপ যে লাগছে তা বলবোনা। কিন্তু খারাপ লাগছেনা ক্যানো এটা ভেবেই মেজাজ খারাপ হচ্ছে। এমনকি ইউরোর শেষ ম্যাচগুলোও দেখিনি ঠিকঠাক। রাশিয়া এমন তাক লাগানো পারফর্ম করছে, পর্তুগাল আবারো স্বপ্ন দেখিয়ে ঠিক আগের বছরগুলোর মতই সেটা হাত থেকে ফেলে দিল , ইটালিরও একটা উচিত শিক্ষা হলো; অথচ আমি কোনটাই আমার চোখের সামনে হতে দেখলাম না!

গত চারদিন ধরে আমার মানিব্যাগ একটা পয়সাও নেই। নট আ সিংগল পেনি। মানিব্যাগটা তাই আর সাথে করে নেইনা। বালিশের পাশেই অলস হয়ে শুয়ে থাকে ওটা। মোবাইলের ব্যালেন্সও দুইদিন হল ঘুমাচ্ছে। ওটা এখন শুধু ওয়ানওয়ে কমিউনিকেশন। ব্যাংক থেকে টাকা তুলবো তুলবো করতে করতে এক সপ্তাহ পার করে ফেললাম। এভাবে চলতে থাকলে বোধহয় আরো কিছু সময় পার হবে। কিন্তু আমার বোধদয় হবেনা। তার বদলে হয়তো আজ থেকে চার দিন পর দিনলিপিতে লিখবো আজ আটদিন হয়ে গেল আমার ম্যানিব্যাগ এ একটা পয়সাও নেই!!

আচ্ছা আমি এত অলস ক্যানো? আমার লিখতে এখন খুব আলসেমি লাগছে। মনে হচ্ছে এই সেন্টেন্সটা শেষ না করেই প্রকাশ বাটনটায় ক্লিক করি। হ্যা এখন আমি তাই করবো। টাটা।

Advertisements
This entry was posted in দিন লিপি. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s